Contact for queries :

জেনে নিন কিছু রোগের সম্পর্কে যে রোগ আপনাকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে ধাবিত করবে

আজকে আমরা অসুস্থতার দিকে যাবো এবং মৃত্যু নিয়ে কথা বলবো। এটি এমন একটি বিষয় যেটা আমরা সবাই ভাবি এবং ভয় পাই, আমরা আশায় থাকি যখন আমরা কোনো শূণ্যতায় বা তার পরে যা আসবে সেখানে গিয়ে মিশে যাবো, আমাদের এই যাওয়াটা যাতে বেশি ব্যথা বা যন্ত্রণার না হয়ে থাকে। যেসব দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের কথা মানুষ বেশিরভাগ বলে থাকে সেগুলো হচ্ছে তুলনামূলক অযৌক্তিক ভয় এবং এর চেয়ে যৌক্তিক ভয় যেমন – ফেল করার ভয়, প্রত্যাখ্যানের ভয়, একাকীত্বের ভয় এবং এমনি আরাকানদের আমাদের বাড়িতে আসার ভয়। অসুস্থতা আরেকটি বড় রকময়ের ভীতি এবং এটি ব্যথা বা অক্ষমতা শুরুর কারণ হতে পারে। কিন্তু কোন ধরনের অসুস্থতা এতো মারাত্মক হতে পারে যেটি নিয়ে আমাদের চিন্তা করার সময় থাকেনা? এটিই আমরা “জেনে নিন কিছু রোগের সম্পর্কে যে রোগ আপনাকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে ধাবিত করবে” পর্বে আলোচনা করবো। আসুন এমনি একটি রোগ দিয়ে শুরু করা যাক যেটি হয়তো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর রোগ।

ইবোলা

হ্যাঁ, আমরা ইবোলা ভাইরাসের কথা বলছি। বেশিরভাগ ঘটনাই পশ্চিম আফ্রিকার যেখানে ২৮৬১৬ জন আক্রান্ত রোগীর মাঝে ১১৩১০ জন মৃত্যু বরণ করেছে। সেটি ২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল এর মাঝে ঘটা ঘটনা। ইবোলার ঘটনা ইতালি, মালী, স্পেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ইবোলার ৪ টি ঘটনার কথা রেকর্ড করা হয়েছে যার মধ্যে একজন মৃত্যু বরণ করেছে। এটি প্রাণীদের থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়, এরপরে সহজেই মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাস বাহিত মানুষ রক্ত, হাঁচি-কাশির মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটায়। রোগের প্রথম পর্যায়ের লক্ষণ হচ্ছে জ্বর, যেটি তীব্র বমি, যকৃতের ক্ষতি এবং অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত রক্তপাতের দিকে দিকে ধাবিত হওয়া। এটি নিরাময় যোগ্য, যারা মারা গিয়েছেন তাদের অনেকেই লক্ষণ দেখা দেয়ার কয়েকদিনের মাঝেই চিকিৎসা করিয়েছিলেন।

 

কলেরা

এটি যে কারও সাথে হতে পারে। চিন্তা করুন আপনার প্রিয় সামুদ্রিক খাবার খাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মাঝে আপনি মৃত্যুবরণ করলেন। আপনি কলেরা সংক্রমিত হলে এটি সর্বোচ্চ খারাপ একটি ঘটনা। এটি পানিবাহিত একটি রোগ যেটি ভিব্রিও কলেরা ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুযায়ী এটি বছরে ৪২,০০০ থেকে ১৪২,০০০ জন মানুষের মৃত্যু ঘটায়। ঘটনাগুলো যখন নথিভুক্ত করা যায় না তখন আনুমানিক বের করা হয়। চরম পরিস্থিতিতে লক্ষণ দেখা দেয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যে অতিরিক্ত পানি এবং ইলেক্ট্রোলাইটের স্বল্পতায় আপনার প্রাণ নাশ ঘটবে। আপনি যদি এই দুই ঘণ্টা বেঁচে থাকতে পারেন তাহলে হয়তো আরো কয়েক ঘণ্টা বা দিনে মধ্যে আপনি ডিহাইড্রেশন ও শক এ মারা যাবেন। যেখানে সুস্বাস্থ্যব্যাবস্থার অভাব কলেরা সেখানে বৃদ্ধি পায়, কিন্তু এটি আক্রান্ত জল দিয়ে ভেসে আসা ভালমতো রান্না না করা খোলসযুক্ত মাছ বা শামুক এর মধ্যেও দেখা যায়। এটি পরে হয়তো আপনার খাবার পাত্রে অবস্থান করবে। শিল্পোন্নত দেশে কলেরা খুব বিরল, কিন্তু প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ১.৩ থেকে ৪ মিলিয়ন কলেরার ঘটনা ঘটে থাকে। যদি আপনার তীব্র ডায়রিয়া হয় তবে অনেক তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করুন।

 

 

নেক্রোটাইজিং ফ্যাসিটিস

দুঃস্বপ্নের বিষয়গুলোর দিকে ফিরে আসা যাক, কে দ্রুত বাড়তে থাকা শব্দ শুনে ভয় পেয়ে যান? এই শব্দটি নেক্রোটাইজিং ফ্যাসিটিস এর সাথে ব্যবহৃত হয়, যেটি মাংস খাওয়া রোগ হিসেবেও পরিচিত। সিডিসি অনুসারে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর ৭০০ থেকে ১১০০ এরকম ঘটনা ঘটে এবং এর ২৬.৬ শতাংশ মৃত্যুর হার রয়েছে। এর সংক্রমণ অস্ত্রোপচারের পরে শুরু হতে পারে কিংবা যখন কোন ঘা, পোড়া বা ফোস্কায় ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে তখন শুরু হতে পারে। যদি আপনার দেহ ইতিমধ্যে অন্য আরেকটি রোগ বা মদ্যাসক্তি মোকাবিলা করতে থাকে কিংবা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যদি দুর্বল হয় তবে আপনার হয়তো একে প্রতিরোধ করার মত যথেষ্ট রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেই এবং তখন এটি খারাপ কোন কিছুতে রূপান্তরিত হতে পারে। দ্রুত এর কোন ছবির অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে কদর্যতার পরিমাপে এটি হয়তো সবার উপরে অবস্থান করে। সিডিসি ঘা পরিষ্কার রাখতে বলে থাকে এবং কারো যদি খুব বেশি কাঁপুনি উঠে ও ব্যথা পায়, যেটি বমি এবং জ্বরের দিকে নিয়ে যায়, তবে দ্রুত কোন উবার নিয়ে কাছের হাসপাতালে চলে যান। সিডিসি হয়তো ঠিক উবারের কথা বলেনি … সাম্প্রতিক কালের প্রতিবেদন করা এই রোগের ঘটনা ছিলো একজন এস্তোনিয়ান রাজনীতিবিদ এডগার স্যাভিসার যিনি কিনা থাইল্যান্ডে সংক্রমিত হবার পরে একটি পা হারিয়েছিলেন।

 

টিএসএস

ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের সাথে বিষাক্ত শক সিন্ড্রোম বা টিএসএস আরেকটি কারণ হতে পারে পৃথিবীর বুকে আপনার আনন্দ শেষ করে দেয়ার জন্যে। এই সংক্রমণ ত্বকে ক্ষত কিংবা ঋতুমতী নারীদের ব্যাবহার করা অতিশয় শোষক ট্যাম্পনের মাধ্যমেও হতে পারে। প্রায় অর্ধেক ঘটনাই পরবর্তী কারণে হয়। সৌভাগ্যক্রমে প্রতি ১০০,০০০ জন নারীদের মাঝে শুধুমাত্র ১ বা ২ জন নারীকে প্রভাবিত করে এবং দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু ক্ষেত্রের সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ মৃত্যুহার রয়েছে। মৃত্যু ঘটা যদিও বিরল, কিন্তু ডেইলি মেইল অনুযায়ী ২০১৪ সালে একজন ব্রিটিশ তরুণী প্রথমবারের মত ট্যাম্পন ব্যাবহার করার পরে টিএসএস পাওয়ার ৫ দিনের মাথায় মৃত্যুবরণ করে। আপনি যদি মারা না যান তবে হয়তো আপনি একটি অঙ্গ হারাবেন। কসমোপলিটান এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয় টিএসএস এর ফলে ২৭ বছর বয়সী একজন আমেরিকান মডেল তার ডান পা হাঁটুর নিচে থেকে হারিয়েছে, বাম পায়ের আঙ্গুল হারিয়েছে এবং এখনও প্রতিনিয়ত ব্যথা পেয়ে যাচ্ছে।

মেনিনজাইটিস

মেনিনজাইটিস রোগের সাথে তুলনা করলে একটি অঙ্গ হারানো হয়তো খুব খারাপ বলে মনে হবে না। এটি মেনিনজাইটিস এর ব্যাকটেরিয়াল রূপ যেটি একদম তরুণ ও বয়স্ক দের মাঝে বেশি প্রচলিত। এটি এমনই একটি উগ্র রোগ যে এটি যাতে দ্রুত আলোয় আনা যায় সেজন্যে যুক্তরাষ্ট্র মেনিনজোকোককাল নজরদারি ব্যবস্থা চালু করেছে। এখনও চিকিৎসা না হলে এই রোগে সংক্রমিত হওয়া রোগীর অর্ধেক মৃত্যুবরণ করে। যারা চিকিৎসা পায় তাদের মধ্যে প্রতি ১০ থেকে ২০ জন এর মাঝে একজন ২৪-৪৮ ঘণ্টার মাঝে মৃত্যুর মুখোমুখি হবেন এবং বেঁচে যাওয়াদের মধ্যে প্রতি ১০ জনের মাঝে ২ জন মস্তিষ্কের ক্ষতি, অঙ্গ হারানো, শ্রবণ শক্তি হ্রাস কিং অন্যান্য অক্ষমতার সম্মুখীন হবে। এই রোগ একটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ যেটি মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের উপর প্রভাব ফেলে, যেটি শুরু হয় জ্বর, হালকা সংবেদনশীলতা, ঘাড়ে ব্যথা, মাথাব্যথা এবং বমি হওয়া দিয়ে। ডাব্লিউএইচও বলে থাকে মেনিনজোকোককাল সেপ্টিকেমিয়া নামক অত্যাচার আরো খারাপ প্রকৃতির। বেশিরভাগ ঘটনা আফ্রিকায় ঘটে থাকে এবং এই মহাদেশে ২০১৪ সালে ১১৪৬ টি মৃত্যু ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৫ সালে মেনিনজোকোককাল রোগের ৩৭৫ টি ঘটনা ছিলো। এটি কাশি, চুম্বন, বা হাঁচির মাধ্যমে মানুষ থেকে মানুষের মাঝে ছড়ায়। সৌভাগ্যক্রমে এর টিকা প্রচলিত রয়েছে। মেনিনজাইটিস এর দ্বিতীয় বেশি ধারণ করা রূপ হচ্ছে ভাইরাল মেনিনজাইটিস। বেশিরভাগ মানুষ ৭- ১০ দিনে মাঝে এর থেকে পরিত্রাণ পাবে।

চাগাস

আরেকটি প্রচলিত রোগ এবং আমেরিকার মিডিয়ায় বেশ আকর্ষিত হয়েছে সেই রোগ হচ্ছে চাগাস। এটি একটি রক্তচোষা পরজীবী দ্বারা সৃষ্টি হয়। এটি যদিও কিছু মানুষের ক্ষেত্রে মরণঘাতী না, সিডিসি এর মতে ২০-৩০% মানুষ এর ফলে “দুর্বলতা এবং প্রাণঘাতী সমস্যা” তে ভুগবে। এর মাথাব্যথা, জ্বর, ফুসকুড়ি, শরীরে ব্যথা, ক্লান্তি, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া ও বমিসহ অনেক গুলি লক্ষণ আছে। বেশি গুরুতর ক্ষেত্রে এটি হৃদ ক্রিয়া অকেজো করে মৃত্যু ঘটাতে পারে। এটি মধ্য আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং মেক্সিকোতে বছরে ২১,০০০ জন এর মত মানুষের মৃত্যু ঘটায়, কিন্তু বেয়লর কলেজ অফ মেডিসিন এর ন্যাশনাল স্কুল অফ ট্রপিকাল মেডিসিন অনুসারে আমেরিকায় প্রকাশ করা পরিমাণ থেকে বেশি সংখ্যক ঘটনা রয়েছে। এর কোন প্রতিষেধক টিকা নেই, তবে সংক্রমিত হলে সাহায্যের জন্যে বিভিন্ন ঔষধ রয়েছে। সিডিসি পোকা দমন এর ঔষধ ব্যবহার করতে বলে এবং খড়, কাদা বা তালে পাতার ঘরে থাকতে মানা করে যেখানে পোকামাকড় থাকতে পছন্দ করে।

 

ব্ল্যাক ডেথ

আপনি হয়তো চাগাস রোগের কথা শুনে থাকবেন না, কিন্তু ব্ল্যাক ডেথের কথা হয়তো শুনে থাকবেন। এই নামটি বিউবোনিক প্লেগ, নিউমোনিক প্লেগ ও সেপটিসেমিক প্লেগ এ দেয়া হয়। যখন মহামারি পর্যায়ে ছিলো তখন এটি ইউরোপে ৩০-৬০ শতাংশ এবং ৭৫ মিলিয়ন বিশ্বজুড়ে মানুষের মৃত্যু ঘটায়। আমরা হয়তো এর মধ্যযুগীয় ইতিহাসের সাথে এবং কাঠের গাড়িতে থাকা লাশ টেনে নেয়ার ছবির সাথে পরিচিত, কিন্তু এটি বর্তমানেও প্রচলিত। বেশি প্রচলিত বিউবোনিক প্লেগ, লসিকা সংযোগ গ্রাস দিয়ে শুরু হওয়া এটির নাম বাগীরোগ। এর চরম পর্যায়ে ৫ জনের মধ্যে থেকে ৪ জন ১০ দিনের মাথায় মৃত্যুবরণ করে। ইদানীং কালে এটি অতটা খারাপ পর্যায়ে নেই, কিন্তু ২০১৭ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমসে নিউ মেক্সিকোতে ঘটা ঘটনার বলা হয়, “এটি আগের চেয়ে কম প্রচলিত হলেও, আগের চেয়ে কম গুরুতর নয়”। নিউমোনিক প্লেগ বাতাস বা পানির মাধ্যমে ছড়াতে পারে কিন্তু সেপটিসেমিক এবং বিউবোনিক প্লেগ মাছির কামড়ের পরে রক্তে বিষক্রিয়ার মাধ্যমে ছড়ায়। ডাব্লিউএইচও অনুসারে বিশ্বে নথিভুক্ত মাত্র ৬৫০ টি ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। আমেরিকান সোসাইটি ফর ট্রপিকাল মেডিসিন এন্ড হাইজিন বলেছে ২.০০-২০০৯ সাল পর্যন্ত বিশ্বে প্রায় ২২,০০০ টি ঘটনার কথা রিপোর্ট করা হয়েছিলো ,যার মাঝে ১,৬১২ টি মৃত্যুর ঘটনা রয়েছে। ওই সময়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান মোতাবেক আমেরিকায় প্লেগে ভুগতে থাকা প্রতি ৫৬ জন এর মধ্যে ৭ জন মৃত্যু বরণ করেছিলো। নিউ ইয়র্ক টাইমস প্রতিবেদনে বলে.২০১৫ সালের নিউ মেক্সিকোর প্লেগের প্রতি ৪ জন এর মাঝে ১ জন মৃত্যু বরণ করে। ২০১৬ সালে একই অবস্থার আরো ৪ টি প্লেগের ঘটনা পাওয়া যায়, কিন্তু সব সংক্রমিতরা নিরোগ লাভ করেছিলো। একজন মদ্য বয়স্ক মা এবং বাবা যারা ব্ল্যাক ডেথ থেকে বেঁচে ফিরেছিলেন গার্ডিয়ান এর সাথে সাক্ষাতে তারা বলে, “আমরা প্লেগ মোকাবিলা করতে পেরেছি। এটিই বড় ব্যাপার”। মানুষটি এর খারাপ পর্যায়ে ছিলেন। তিনি কয়েক সপ্তাহ কোমায় ছিলেন এবং দুটি পা ই হাঁটুর নিচে থেকে কাটতে হয়েছিলো। তার স্ত্রী বলেছিল যে তার স্বামীর বাঁচার মাত্র এক শতাংশ আশা ছিলো, কিন্তু তিনি বেচেছিলেন। অলৌকিকতা হয়তো তার পরিবারে বেশি রয়েছে, কারণ প্রতিবেদন বলে তার ভাই টেক্সাস লটারিতে ব্ল্যাক ডেথের কয়েক বছর আগে ২৭ মিলিয়ন ডলার জিতেছিল।

 

 

পোস্টটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন, আমাদের অন্যান্য পোস্টগুলো পড়ে মন্তব্য জানান। ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের অনুপ্রেরিত করুন। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ!

February 16, 2018

0 responses on "জেনে নিন কিছু রোগের সম্পর্কে যে রোগ আপনাকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে ধাবিত করবে"

    Leave a Message

    About Us

    Amaredu.com is the best and most user friendly online learning social network for the people of Bangladesh.

    119, Dhanmondi 9/A, Dhaka
    +880 1842 707 778
    info@amaredu.com

    Recently Active Users

    Profile picture of Lashay McAllister
    Profile picture of Bernard Chau
    Profile picture of Gidget Bundey
    Profile picture of Amaredu Exclusive
    Profile picture of Nelson Bracker
    Profile picture of Tina Dunckley
    Profile picture of Preston Cromwell
    Profile picture of Marlon Ham
    Profile picture of Ervin Avera
    Profile picture of Phillip Evans
    Profile picture of Eugene Goggins
    Profile picture of Gazi Rakibul Hasan Bappy

    Find us on Facebook

    © 2015-2018 by AMAREDU.COM
    X